বিতার্কিকদেরকে আমার ক্লাসরুম বালকের মত লাগে। কিন্তু সমাজে তাদের প্রতি মুগ্ধতা প্রচুর। তাদের সাধারণত দরাজকণ্ঠ ও শুদ্ধ উচ্চারণ থাকে। এই দরাজকণ্ঠের সমস্যা নিয়ে আগে লিখেছিলাম। মুজিব, সাঈদী ও মামুনুল হকের দরাজকণ্ঠের প্রতি এই দেশে একটা প্রগাড় ভক্তি আছে নিজ নিজ মহলে। দেখবেন, তাদের রাজনীতি বা বোঝাপড়ার তেমন ক্রিটিক নেই ভক্তদের। তো, আমার মত হল, বুঝদার মহলের এই বিতার্কিক এবং বিতর্ক ইন্ডাস্ট্রিগুলোকে এড়িয়ে চলা উচিত। এমন কি তাদের কোলাহলগুলোকেও সন্দেহ করা উচিত। এরা কোন পথ ও বোঝাপড়া তৈরী করে না, কিছু চটুল বুদবুদ তৈরী করে। ঠিক জ্ঞান না। স্কিল। দেখবেন, এই একই বুদবুদ ধর্মের জন্যও ব্যবহার করতে পারবেন আপনি, অধর্মের জন্যও পারবেন। তার ধর্ম, অধর্ম, মুজিব, চমস্কি, ইসলাম সবই বিতর্কের জন্য মুখস্ত করা তথ্যমাত্র। জ্ঞান না। এইসব মনে এল আবার, সম্প্রতি এরকম দুই একটা ফেনোমেনা খেয়াল করার পরে। ডাক্তার তুষার নামে একজন বিতার্কিক আছেন৷ আর এনায়েতুল্লাহ আব্বাসি নামের একজন। পরেরজন বিতার্কিকের পাশাপাশি ধর্মীয় মোটিভেশনাল স্পিকারও। উভয়ে নিজ নিজ মহলে বেশ পপুলার। দুইটা ভিন্ন উদাহরণ দিলাম, যাতে বুঝতে পারেন, মুজিবকোট, জিয়া আর পাগড়ি, সব কিছুই এখানে একোমোডেইট করতে পারবেন, কোন ভেতরগত পরিবর্তন ছাড়াই। যেহেতু টুল মাত্র। আমার প্রস্তাব, তাদেরকে আপনার সোসাইটির পয়গাম্বর হতে দিয়েন না।
#রিফাতহাসান #আনসোশালেও প্রকাশিত।